বাংলা শর্টকাট চিটশিট (ব্যাকরণ ও সাহিত্যের মূল তথ্য)
সর্বশেষ হালনাগাদ: ১ নভেম্বর ২০২৬
বাংলা — ব্যাকরণ ও সাহিত্যের দ্রুত রিভিশন
- বর্ণমালা: স্বরবর্ণ ১১ + ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ = ৫০ · যুক্তবর্ণ: ক্ষ = ক+ষ, জ্ঞ = জ+ঞ, হ্ম = হ+ম · কার = স্বরের চিহ্ন, ফলা = ব্যঞ্জনের চিহ্ন
- ধ্বনি: স্বরধ্বনি (অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ) · ব্যঞ্জনধ্বনি বর্গভিত্তিক — ক-বর্গ, চ-বর্গ, ট-বর্গ, ত-বর্গ, প-বর্গ
- সন্ধি ৩ প্রকার: স্বরসন্ধি (সূর্য+উদয় = সূর্যোদয়, নর+ইন্দ্র = নরেন্দ্র, দেব+আলয় = দেবালয়) · ব্যঞ্জনসন্ধি (উৎ+খাত = উৎখাত, সৎ+জন = সজ্জন, দিক+অন্ত = দিগন্ত, বাক্+দান = বাগ্দান) · বিসর্গসন্ধি
- সমাস: দ্বন্দ্ব (রাজা ও রাম) · কর্মধারয় (সুবর্ণ কঙ্কণ, উপমিত = কাজলকালো, রূপক = বিষাদসিন্ধু) · দ্বিগু (চৌরাস্তা) · বহুব্রীহি (দশানন = দশ আনন যার) · ষষ্ঠী তৎপুরুষ (রাজপুত্র = রাজার পুত্র) · অব্যয়ীভাব (প্রতিদিন)
- কারক: কর্তৃ, কর্ম, করণ, সম্প্রদান, অপাদান, অধিকরণ — বিভক্তি ও অনুসর্গ দিয়ে চেনা যায় · ‘থেকে/হতে’ = অপাদান · ‘দিয়ে/করে’ = করণ · ‘জন্য’ = নিমিত্ত
- বাক্য: সরল, জটিল (সাপেক্ষ: যদিও…তবুও), যৌগিক (সংযোজক: ও, এবং) · সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়া
- শুদ্ধ বানান: নির্বাণ, উজ্জ্বল, পূর্ণিমা, মুহূর্ত, ব্রাহ্মণ, ভবিষ্যৎ, দারিদ্র্য, ঐতিহ্য
- বাগধারা: অকাল কুষ্মাণ্ড = অপদার্থ · গোঁফ খেজুরে = অলস সুবিধাবাদী · উলুবনে মুক্তা ছড়ানো = অপাত্রে দান · কেঁচো খুঁড়তে সাপ = সামান্য থেকে বড় বিপদ
- প্রাচীন যুগ: চর্যাপদ (আবিষ্কার ১৯০৭, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী) · শ্রীকৃষ্ণকীর্তন (১৯০৯, বড়ু চণ্ডীদাস)
- মধ্যযুগ: কৃত্তিবাস রামায়ণ · কাশীরাম দাস মহাভারত · মালাধর বসু শ্রীকৃষ্ণবিজয় · দৌলত কাজী ও আলাওল (আরাকান রাজসভা) · মঙ্গলকাব্য ও বৈষ্ণব পদাবলি (বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস)
- আধুনিক: মধুসূদন — মেঘনাদবধ কাব্য ১৮৬১, শর্মিষ্ঠা ১৮৫৯ · বঙ্কিমচন্দ্র — দুর্গেশনন্দিনী ১৮৬৫ · প্যারীচাঁদ মিত্র — আলালের ঘরের দুলাল · রবীন্দ্রনাথ — নোবেল ১৯১৩ · নজরুল — অগ্নিবীণা ১৯২২ · জসীমউদ্দীন — নকশী কাঁথার মাঠ · বিভূতিভূষণ — পথের পাঁচালী
- ভাষা আন্দোলন: ১৯৪৮-এর দাবি · ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ শহিদ · ১৯৫৬-তে রাষ্ট্রভাষা স্বীকৃতি · একুশে পদক ১৯৭৬ · ইউনেস্কোর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ১৯৯৯ · বাংলা একাডেমি ১৯৫৫